তালিকাভুক্ত এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেডের (এএমসিএল) ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এএমসিএলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ টাকা ৭২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৪ টাকা ৬৬ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এএমসিএলের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯২ টাকা ৮৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এএমসিএলের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯০ টাকা ৯০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এএমসিএলের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৪২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৬২ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮৮ টাকা ৫৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এএমসিএলের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮৬ টাকা ৫৯ পয়সায়।
১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এএমসিএলের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮ কোটি ও রিজার্ভে রয়েছে ৬০ কোটি ৭২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮০ লাখ। এর ৪০ দশমিক ১৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৮ দশমিক ১২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩১ দশমিক ৭৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।